শনিবার, ১১ মে, ২০১৩

যন্ত্রণা

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠি বেঁচে থাকার যন্ত্রণা নিয়ে । আবার মাঝে মাঝে আনন্দে চিৎকার করতে ইচ্ছা করে আর একটা দিন বেঁচে আছি বলে, আর একটা সকাল পাওয়ার আনন্দটা নিমিশেই মিশে যাই জীবন যুদ্ধের যন্ত্রণাতে । সারাদিন পার করার যন্ত্রণা , রাতের অপেক্ষার যন্ত্রণা । পাওয়া না পাওয়ার যন্ত্রণা , মনের ক্ষুধার যন্ত্রণার সাথে শরীরের ক্ষুধার যন্ত্রণা , না চাইতে খাবার পাওয়ার যন্ত্রণা , অন্যের খাবার কেড়ে খাওয়ার যন্ত্রণা । রাত আসলে রাতের নিধ্বারিত যন্ত্রণা , সময় না কাটার যন্ত্রণা । ভাবি রাত পোহানোর আর কত দেরি। রাত কাটলেই তো জীবনের শেষ অধ্যায়ের কাছে কিছুটা হলেও আগালাম।



এতো যন্ত্রণার মাঝেও কেন জানি মাঝে মাঝে বেঁচে থাকার আনন্দ বোধ করি। হারানোর যন্ত্রণাটাকে আবার একবার হলেও ফিরে পেতে ইচ্ছা করে। প্রায় ভুলেই গেছি , তবু এটা ভেবে ভাল লাগে হারানোর তো আর কিছু নেই কিন্তু তোমাদের আছে। আমরা তোমাদের কাছে কিছু চাই না কিন্তু তোমাদের দেওয়া আমাদের শেষটুকু নিয়েই তো সুখের অশুখ বাধিয়েছ। আমাদের এ হারানোটা মনে করি শুধু কথার কথা ।





তোমাদের জন্য মাঝে মাঝে খুব মায়া হয় । আমরা যা দেখেছি তোমাদের তা দেখার সুযোগ মেলেনি কখনো । যে কখনো নিজ পায়ে পথ চলেনি সে কি করে বুঝবে পথ চলার অনূভুতি? যে হাত কখনো কাঁদা মাটি ছুয়ে দেখেনি সে কি করে অনুভব করবে কাঁদা মাটির কোমলতা ? যে শরীর কখনও আলো বাতাসের প্রকৃত ছোঁয়া পাইনি সে করে উপলব্ধি করবে জীবনের সতেজতা ?



তোমাদের হয়ত সম্পদের পাহাড় হবে  কিন্তু তোমাদের মনে কখনো সহানুভূতির সৃষ্টি হবে না । কিন্তু আমাদের না মনে  অতি প্রাকৃতিক ভাবে তার সৃষ্টি হয়। আমারা সবাই কারো সুখে হাসি আবার একই দুঃখে কাঁদি যদিও আমাদের মাঝে চিরকালীন কোন সম্প্রক নেই না রক্তের , না মনের , না আত্মার। তবুও .........



আসলে এ পৃথিবী রং বদলায় , মানুষ ও তার সাথে বদলে যায় অবলিলায় । আমারা থাকি আর না থাকি এ পৃথিবী তার অক্ষে একই নিয়মে ঘুরবে , বসন্ত আসবে যাবে আর কেউ না কেউ সত্য বল্বেই। আমরা আঘাত সয্য করা শিখে গেছি । আমাদের অনেকেই এখন মাথা উঁচু করতে শিখেছে।


 

তোমরা ভাব তোমাদের অমরত্বের কথা আর আমরা ভাবি সংগ্রামের অমরত্বের কথা । সংগ্রামী অমর না হলেও সংগ্রাম অমর। তাই আমাদের এ সংগ্রাম চলবেই বিজয় না হওয়া অবধি............ যেদিন বিজয় আসবে তোমায় নিমত্রন আমাদের সাথে থেক বাকিটা জীবন...............






 সংগ্রামী জনতা 


শুক্রবার, ১০ মে, ২০১৩

পাগলের নতুন প্রকার নাস্তিক

লালন শাহ-

যেদিন হিন্দু , মুসলমান , বৌদ্ধ, খৃষ্টান

জাতি গৌত্র নাহি রবে

মানব সমাজ কবে এমন সৃজন হবে ?


জগতের চলমান জাতি ধম্র নিয়ে যুদ্ধ দেখে যেকোন মানুষ স্তব্দ হওয়ায় স্বাবাভিক ।  কোন কারনে মানুষ হয়ে আর একজন নিরীহ মানুষের উপর অত্যাচার করা হয়? জানা নাই এমন কোন religion পৃথিবীতে আছে কিনা যাদের সংবিধান নিরীহকে আঘাত করতে বলে। যেকোন religion এ বিশ্বাস করা একান্তই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার , এটা নিভ্রর করে তার দৃষ্টি ভঙ্গির উপর। কিন্তু এটা ঠিক কোন religion ছাড়া কোন মানুষ সমাজে নিয়ম, নীতি ও সাম্যের সাথে বাস করতে পারবে না। কোন religion বলেনা কোন নারীকে অপমান করতে , কোন গরিবের হক মারতে, চুরি করতে, ঘুষ ক্ষেতে, মিথ্যা বলতে । এটা তো স্পষ্ট যে religion মানুষকে সঠিক পথে পরিচালনা করে । এবং এটাও যে religion মানুষের মনে পাপ বোধ সৃষ্টি করে, যা মানুষকে অন্যায় থেকে দূরে রাখে।

 ( ওরা মানুষ না হাফপ্যান্ট )

আমরা সবাই তো মানুষ , আমরা হিসেবে এটুকূ তো করণীয় যে religion এর হোক বিপদে যেকোন মানুষকে সাহায্য করা।

আমরা যেকোন উৎসবে এক সাথে আনন্দ উপভোগ করতে পারি, কারো কিছু কারো উপর কেউ জোর করে চাঁপাই না দিলেই হল। religion যার যার তার তার, উৎসব সবার।

কিন্তু যার ভেতর কোন religion এর বিশ্বাস নাই তার মাথায় গন্ডগোল আছে এটা স্পষ্ট । স্বাবাভিক ভাবে ভাবলে তো বোঝা উচিত যে এই বিশাল পৃথিবী , এই বিশাল বিশাল জনপদ , মহাকাশ ও মহাবিশ্বসহ সকল প্রাকৃতিক শক্তির উৎস কি? এগুলো তো এমনিতে হয়নি । সৃষ্টলগ্ন থেকে এখন অবধি চলছে একই নিয়মে । নাস্তিকদের তো কোন সংবিধান নাই , আর এ কারনে তার পাপ বোধ না থাকা স্বাভাবিক । যদিও তারা দাবি করে মানব ধম্রে বিশ্বাসি তারা কিন্তু প্রত্যেক মানুষের তো কাম , ক্রোধ , লোভ, হিংসা আছে । আর কখনো খুব সমস্যায় সেই তো সবার অলক্ষে কাউকে খুন করতে দ্বিধা করবে না যেখানে তার নিজের অস্তিত্ত্ব প্রশ্নবিদ্ধ। কারন ঠেলার নাম বাবাজি, চাচা আপন প্রান বাঁচা বলে কিছু কথা আছে। তার যেহেতু কোন জবাবদিহিতা করার প্রয়োজন নেই নিজের কৃত কাজের জন্য তো সে নিজেকে বাঁচাতে চাইবে এটা খুবি স্বাভাবিক । তাই সময় থাকতে পাবনা হেমায়েতপুরে যেয়ে কম খরচে উন্নত চিকিৎসা নেওয়ায় উত্তম ।


এর পিছনে আমার ধারনা যে জেনেটিকাল বৈশিষ্ট্য কিছুটা দায়ি। তাই গরু টাইপ নাস্তিক গুলোর সাথে অন্য কোন পরিবারের নতুন আত্মীয়তা করে নাস্তিক বৃদ্ধি না করাই ভাল। যদিও আলেমের ঘরে যালেম পয়দা হয়, আর যালেমের ঘরে আলেম পয়দা হয় । তারপরো সাবধাণের তো মার নাই।


এই নাস্তিক গুলো এমন ধরনের পাগল যে পাগলের তো একটা জাত আছে এদের তাও নাই , আর পাগলে তো অখাদ্য খাই না কিন্তু এরা ও ধরনের অখাদ্য খাই ( মলমূত্র , মুরগীর বিষ্টা জাতীয় ) এদের থেকে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখা ভাল।

আর নাস্তিক রোধকল্পে আমাদের জনসমাজকে এগিয়ে আশার আহবান করছি............




আস্তিক বলছি

বৃহস্পতিবার, ৯ মে, ২০১৩

পাগল

পাগল নাকি?

ভবখুরেদের জন্য

হুমায়ন আহমেদের একটা বইয়ে পড়েছিলাম তিন শব্দের তাৎপয ।
তিন শব্দের গুরুত্ব নাকি অনেক । ঈশ্বর মনে হয় এই শব্দটাকে পছন্দ করেন । সবকিছুতে ৩ এর প্রভাব । যেমন ত্রিভুবন, ত্রিকাল, ত্রিনয়ন, ত্রিভুজ ইত্যাদি। এছাড়া আমাদের ব্যক্তি জীবনে এর প্রভাব কম নয় । যেমন আমরা খাই তিন বেলা সকাল দুপুর রাত, আমাদের জীবন কালও তিন অতীত বতমান ভবিষ্যত, আমাদের স্থান ও তিন বেহেস্ত / দোযখ কবর আর দুনিয়া ।
আবার দেখুন ভুলের বেলায় একবার ভুল করলে মাফ, দুই বারও মাফ কিন্তু তিনবারে আর মাফ নাই । সত্যের ব্যাপারেও আছে তিনের মূল্য । তিন সত্যি না বলা অবধি বিশ্বাস করেনা কেউ । মানুষের বেড়ে উঠা তাও আবার তিনভাবে কিশোর , যৌবন আর বার্বধক্য । গান বাজনায় ও আছে তিনের প্রভাব যেমন বন্ধু তিনদিন তোর বাড়িতে গেলাম , কেন আর একদিন বেশি গেলে দোষ ছিল কি?
এই তিনের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারলে আজই নাম পালটান আর আকিকার দাওয়াত দিন তিন পুরুষের সবাইকে। মনে রাখবেন অনুষ্ঠানের দিন যেন তিন তারিখ হয় ।


তিন মাষ্টার